মাটির ধসে মৃত্যু শ্রমিকের, খাস কলকাতায় পাইপলাইনের কাজ চলাকালীন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা

Advertisement

খাস কলকাতায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক শ্রমিকের। কলকাতা পুরসভার পাইপলাইনে কাজ করতে গিয়েই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। কাজ চলাকালীন ধস নেমে যায়। আর তাতেই চাপা পড়ে মৃত্যু হল যুবক শ্রমিকের। পার্ক সার্কাসের এই ঘটনায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। এই ঘটনার খবর পৌঁছেছে কলকাতা পুরসভায়। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখানে কয়েকদিন ধরে পাইপলাইনের কাজ চলছিল। এবার হঠাৎ এল বিপদ। যার জেরে প্রাণ গেল একজনের।

ঠিক কী ঘটেছে পার্ক সার্কাসে?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, এখানে পাইপলাইনের কাজ চলছিল। তখন সেখানে বালি তুলছিলেন ওই যুবক শ্রমিক। এমন সময় হঠাৎ মাটিতে ধস নামে। আর তাতেই চাপা পড়ে মৃত্যু হয় শ্রমিকের। যদিও ওই শ্রমিকের বিপদ হতেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। তবে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পৌঁছয়। আর তদন্ত শুরু করেছে।

ঠিক কী তথ্য পেয়েছে পুলিশ?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত যুবক শ্রমিকের নাম ছলমন মল্লিক (২২)। এই শ্রমিকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে। পার্ক সার্কাস এলাকায় কয়েকদিন ধরে তিন মাথার মোড়ে পাইপলাইনের কাজ চলছিল। সেখানে এই কাজ করতেই গিয়ে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়েছিল। গতকাল, বুধবারও কাজ করতে আসেন শ্রমিকরা। তবে এই কাজ চলছিল রাতে। বেশি রাতে এই বিপদ ঘটে। তখন এই শ্রমিককে চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলেই ঘোষণা করেন। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

আর কী জানা যাচ্ছে?‌ সূত্রের খবর, তখন মাঝরাত হয়নি। হঠাৎ দুর্ঘটনা ঘটে। ছলমন মল্লিক তখন পাইপলাইনের কাজ চলার সময় বালি তুলছিলেন। তখন আচমকাই ধস শুরু হয় মাটিতে। আর তাতে চাপা পড়ে যায় শ্রমিক ছলমন। সহকর্মী শ্রমিক ও পুলিশ ছলমনকে উদ্ধার করতে যান। কিন্তু বেশ গভীরে চাপা পড়ে যাওয়ায় তাঁকে উপরে তুলতে পারেননি তাঁরা। পরে জেসিবি দিয়ে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয় ছলমন মল্লিককে। তড়িঘড়ি চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আর রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ বন্ধ হয়ে যায় কাজ। বালি পরিষ্কার করতে নীচে নামতেই ধসে চাপা পড়ে যান তিনি। তাঁকে উদ্ধার করতে বহু সময় লেগে যায়।

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।