Super 30’s Anand Kumar gets Padmashree: ‘বাবা যেন ওপর থেকে তাকিয়ে…’, পদ্মশ্রী পেয়ে আবেগতাড়িত ‘সুপার ৩০’-র আনন্দ স্যার

Advertisement

পদ্মশ্রী পাচ্ছেন ‘সুপার ৩০’ কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা আনন্দ কুমার। সম্মান প্রাপ্তির খবর পেয়েই আবেগতাড়িত হন আনন্দ ‘স্যার’। তিনি বলেন, ‘খবরটি শোনার পরই আমার মনে হল যেন আমার প্রয়াত বাবা রাজেন্দ্র প্রসাদ ওপর থেকে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন এবং আমাকে বলছেন, তিনি খুশি; কিন্তু আমাকে এখনও অনেক দূর যেতে হবে। আমি যে সম্মান পেয়েছি তা শুধু আমার স্বীকৃতি নয়, এটা দেশের সেই সমস্ত শিক্ষকদের স্বীকৃতি, যারা তাদের ছাত্রদের জীবনে সাফল্য এনে দেওয়ার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন। এই সম্মান আমাকে আরও শক্তি দিয়ে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। যারা আমার ওপর বিশ্বাস রেখে এই দিনটিকে সম্ভব করেছেন, আমি তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’ (আরও পড়ুন: কীর্তি চক্র পাচ্ছেন ৬, শৌর্য চক্র ১৫, বীরত্বের জন্য এবছর সম্মানিত হচ্ছেন মোট ৪১২)

নিজের ছোটবেলার কথা মনে করে আনন্দ জানান, অর্থের অভাবে কেমব্রিজে না যেতে পারা তাঁর জীবনকে বদলে দিয়েছে। তাই তাঁর মতন অন্য কোনও পড়ুয়া যাতে দারিদ্র্যের বলি হয়ে পড়াশোনা থেকে দূরে না সরে যায়, তাই ‘সুপার ৩০’ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। বিগত ২ দশকেরও বেশি সময় ধরে, প্রতিবছর ৩০ জন পড়ুয়াকে আইআইটির প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য তৈরি করেন তিনি। তিনি তাঁর বাবার কথা মনে করে বলেন, ‘আমার বাবার স্বল্প ক্ষমতার মধ্যেই চাইতেন আমি যেন অনেক দূর পড়াশোনা করতে পারি। তাই আমি আমার মতো দরিদ্র শিশুদের জন্য কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’ এই সুপার ৩০-র জন্যই আজ আনন্দ স্যার জনপ্রিয়। তাঁর জীবনের কাহিনী নিয়ে সিনেমা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বক্তৃতা দেওয়ার জন্য ডাক পান আনন্দ স্যার। কয়েক বছর আগে আমেরিকার এক সংস্থার তরফ থেকে ‘দ্য এডুকেশন এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছিলেন তিনি।

এদিকে আনন্দ কুমার জানান, গত দুই বছর ধরে তিনি অন্য এক ‘প্রজেক্ট’ নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘দুই দশক ধরে সুপার ৩০ চালানোর পর এখন আমি আমার কাজকে প্রসারিত করতে চাই। তাই গত দুই বছর ধরে আমি অন্য কিছু নিয়ে কাজ করছি। কোভিড-১৯ মহামারি অনেক কিছু পরিবর্তন করেছে এবং এটি আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। মহামারি চলাকালীন, আমি সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং সংবাদপত্রের মাধ্যমে ছাত্রদের সঙ্গে জুড়ে ছিলাম। আমি বুঝতে পারি যে, যখন সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল, তখন এই মাধ্যমগুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। আমি শীঘ্রই আমার নতুন উদ্যোগের বিষয়ে ঘোষণা করব। সুপার ৩০ হল একটি যাত্রা। এতে দেখানো হয়েছে যে শিক্ষা কীভাবে ছাত্রদের দারিদ্র্যের প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে।’

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।