ফের বিস্ফোরক অভিযোগ কুন্তল ঘোষের, Kuntal Ghosh again claimed conspiracy against him

Advertisement

Advertisement

ষড়যন্ত্রের অভিযোগ কুন্তলের

নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার কুন্তল ঘোষকে বুধবার সকালে বিধাননগর আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে যাওয়ার পথেই সাংবাদিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে সেটা নিয়ে তিনি বলবেন। কুন্তল ঘোষ জানান তদন্ত নিয়ে তিনি কিছু বলতে চান না। তবে তিনি বলেছেন তাঁর বিরুদ্ধে আকাশ ছোঁয়া দুর্নীতি হয়েছে। তারপরেই তিনি সেখান থেকে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে যান। গতকাল নাকি জেরা চলাকালীন একে অপরের উপরে কেবল দোষারোপ করেছেন তাপস মণ্ডল এবং কুন্তল ঘোষ।

কুন্তল ঘনিষ্ঠতকে তলব

কুন্তল ঘনিষ্ঠতকে তলব

আজ ইডি তলব করেছে কুন্তল ঘোষ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শান্তনু মণ্ডলকে। কুন্তলের বাড়িতে তল্লাশির দিনেই বলাগড়ে এই তৃণমূল কংগ্রেস নেতার বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। বুধবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়। ইডি নির্ধারিত সময়েই শান্তনু মণ্ডল হাজির হয়ে গিয়েছেন সিজিও কমপ্লেক্সে। কুন্তলের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে শান্তনু মণ্ডলকে। নিয়োগ দুর্নীতিতে শান্তনু মণ্ডলেরও ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি ইডির। সেটা জানতেই তাকে জেরা করতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

তাপস মণ্ডলকে ফের জেরা

তাপস মণ্ডলকে ফের জেরা

গতকাল প্রায় ১৩ ঘণ্টা কুন্তল ঘোষ এবং তাপস মণ্ডলকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করেছে ইডি। তাতে একে অপরকে কেবল দোষারোপ করেছে তাপস মণ্ডল এবং শান্তনু ঘোষ। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। আবার তাই বুধবার তাঁকে তলব করে জেরা করছেন তদন্তকারীরা। তাপস মণ্ডল অবশ্য আগেই জানিয়েছিলেন তিনি কুন্তল ঘোষের কাছ থেকে টাকা চেয়েছিলেন। কুন্তল ঘোষ পাল্টা দাবি করেছেন তাপস মণ্ডলই চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা তুলে তাঁকে দিয়েছিলেন।

তাপসের মুখে নীলাদ্রির নাম

তাপসের মুখে নীলাদ্রির নাম

তাপস মণ্ডল বারবার নীলাদ্রি চৌধুরী বলে একজনের নাম করছেন। ইডির অনুমান এই নীলাদ্রিই টাকা তুলে দিতেন তাপস মণ্ডলকে। যদিও নীলাদ্রিকে সরাসরি তিনি চেননা বলেই দাবি করেছেন তাপস মণ্ডল। উল্টে তাঁর দাবি নীলাদ্রির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে কুন্তল ঘোষের। কুন্তল ঘোষ নীলাদ্রির কাছে টাকা রাখতেন বলে অভিযোগ করেছেন তাপস মণ্ডল। এই নীলাদ্রি আসলে কে তা জানতেই আবারও তাপস মণ্ডলকে জেরা করতে চাইছে ইডি।

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।