Sheezan Khan’s sister hospitalised: অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শিজানের বোন ফালাক, ছবি শেয়ার করে জানালেন অভিনেতার মা

Advertisement

তুনিশা শর্মার মৃত্যুর পর একগুচ্ছ অভিযোগে বিদ্ধ প্রেমিক শিজান খান। গত ১৩ জানুয়ারি, ভাসাই আদালতেও শিজানের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। আপাতত জেলেই রয়েছেন অভিনেতা। তুনিশার মৃত্যুর পর থেকে শিজানের জীবনে জটিলতা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।

শিজান খানের বোন ফালাক নাজ হাসপাতালে ভর্তি। ইনস্টাগ্রামের পাতায় মেয়ের ছবি পোস্ট করে একটি নোট ভাগ করে নিয়েছেন তাঁদের মা কেহেকশান ফাইসি। অভিনেতার মা নোট লিখেছেন, ‘বুঝতে পারছি না, কেন এবং কী কারণে আমাদের পরিবার শাস্তি পাচ্ছে’।

ঘটনার জেরে ‘আলিবাবা-দাস্তান-ই-কাবুল’ ধারাবাহিক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে শিজানকে। এবার আদালতেও এই মামলা শিজানের মুক্তির পক্ষে ক্রমাগত বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। গত ২৪ ডিসেম্বর মারা যান তুনিশা। ক’দিন ধারাবাহিকের কাজ বন্ধই ছিল। তবে সায়ন্তনী ঘোষ সম্প্রতি নিশ্চিত করেছেন ফের শুরু হয়েছে শ্যুটিং। আরও পড়ুন: ২ মাসে ওজন বাড়াতে হয়, ‘কংগ্র্যাচুলেশন’-এ গর্ভবতী পুরুষ চরিত্রে অভিনয়, অকপট শরমন

তুনিশা আর শিজান সম্পর্কে ছিলেন বলেই খবর এসেছে। তুনিশার মৃত্যুর দিনকয়েক আগেই তা ভেঙে যায়। অভিনেত্রীর মৃত্যুর পর থেকে জেলে আছেন শিজানও। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ তাঁর উপরে। শিজানের নামে থানায় এফআইআর করেছিলেন তুনিশার মা-ই। ২৫ ডিসেম্বর গ্রেফতার করা হয়েছিল শিজানকে। বর্তমানে তিনি বিচারবিভাগীয় হেফাজতে কারাবাস করছেন।

শিজান খানের বোন হাসপাতালে ভর্তি

Advertisement

প্রথম থেকেই শিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি এই মামলার তদন্তে বিশেষ সহযোগিতা করছেন না। তবে এবার অভিনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আরও গুরুতর। অভিযোগ, তুনিশার সঙ্গে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপের বহু কথোপকথন মুছে দিয়েছেন শিজান। তাই মহারাষ্ট্রের পালঘর আদালত জানিয়েছে, অভিনেতা জামিন পেলে তিনি সাক্ষীদের হুমকি দিতে পারেন।

শিজানের আইনজীবী ও পরিবারের তরফে আবার তুনিশার আত্মহত্যার জন্য দায়ী করা হয়েছে তুনিশার মাকে। দাবি মেয়ের খেয়াল নিতেন না বনিতা। টাকাপয়সাও দিতেন না হতে। মাঝেমাঝে খাবার খাওয়ারও পয়সা থাকত না। কোথাও ঘুরতে যেতে দিত না। জোর করে কাজে পাঠাত।

গত ২৪ ডিসেম্বর আলিবাবা-দাস্তান-ই-কাবুল-এর সেটে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় অভিনেত্রী তুনিশা শর্মাকে। মেয়ের মৃত্যুর পর অভিনেত্রীর মা অভিযোগ করেন, শিজানের কারণেই আত্মহত্যা করেছেন তাঁর মেয়ে। তুনিশার মা বনিতা শর্মা প্রশ্ন তুলেছিলেন, তুনিশাকে যখন মেকআপ রুম থেকে উদ্ধার করা হয়, তখনও তিনি বেঁচে ছিল, তারপর নিকটবর্তী হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে শীজান কেন তাঁকে দূরের হাসপাতালে নিয়ে গেলেন? যেখানে সেটের ৫ মিনিটের দূরত্বেই হাসপাতাল ছিল। তাঁর কথায়, এটা আত্মহত্যাও হতে পারে, আবার খুনও হতে পারে।

 

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক

https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।