Taslima Nasrin : একপ্রকার জোর করেই অস্ত্রোপচার, আমায় চিরতরে প্রতিবন্ধী করে দেওয়া হল : তসলিমা

Advertisement

বেশকিছুদিন ধরেই বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের ফেসবুক পোস্টে বারবার উঠে এসেছে ‘মৃত্যু’র কথা। তাঁর এধরনের পোস্টে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেন অনুরাগীরা। জানা যায়, হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তসলিমা। এরপর অনেকেরই প্রশ্ন ছিল ঠিক কী হয়েছে লেখিকার? কেমন আছেন তিনি। অবশেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন তসলিমা নাসরিন। সেখানেই বিস্ফোরক দাবি করেছেন লেখিকা। জানিয়েছেন শল্য চিকিৎসকের ভুলেই স্থায়ীভাবে পঙ্গু হতে চলেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ না জানিয়েই শল্য চিকিৎসক তাঁর ‘হিপ রিপ্লেসমেন্ট’ করেছেন। যে কারণে হাঁটার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন তিনি।

তসলিমা নাসরিনের প্রশ্ন লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন সেটা কি এই পঙ্গু জীবন পেতে! নিজের পোস্টে ঠিক কী লিখেছেন তসলিমা নাসরিন?

তসলিমা জানিয়েছেন, বাড়িতে পাজামা চপ্পলে আটকে তিনি হুমড়ি খেয়ে পড়েছিলেন, সেকারণেই চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ছুটে যান। জানতে পারেন পায়ের ফিমার নামক হাড়ে চিড় ধরেছে। চিকিৎসা হিসাবে চিকিৎসার মাধ্যম হিসাবে দুটো অপশান দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। এক, ইন্টারনাল ফিক্সেশান, দুই, হিপ রিপ্লেসমেন্ট। তসলিমা প্রথমটির পক্ষে সওয়াল করলেও চিকিৎসকরা জোর দিয়ে হিপ রিপ্লেসমেন্টের পক্ষেই জোর করছিলেন তাঁকে। শেষপর্যন্ত ওটি-তে নিয়ে গিয়ে ফিক্সেশনের কথা হলেও শেষপর্যন্ত হিপ রিপ্লেসমেন্ট করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন লেখিকা। একপ্রকার জোর করেই সেটা করা হয় বলে দাবি করেছেন তিনি। 

তসলিমা নাসরিনের কথায়, যাঁরা প্রায় একেবারেই অথর্ব, তাঁদেরই এই হিপ রিপ্লেসমেন্ট করা হয়। তিনি শরীরচর্চা করা একজন অ্যাক্টিভ মানুষ, তাঁকে কেন এভাবে চিরতরে পঙ্গু বানিয়ে দেওয়া হল! তাঁর অভিযোগ প্রাইভেট হাসপাতালের টার্গেট মার্কেটের শিকার তিনি। লেখক, ডাক্তর হিসাবে হাসপাতালে তাঁর নাম নথিভুক্ত করা হয়নি, করা হয়েছে বাংলাদেশী রোগী হিসাবে।


এখানেই শেষ নয়, আরও একটি পোস্টে মানুষকে বিশ্বাস করে ঠকে যাওয়ার কথা বলেছেন তসলিমা নাসরিন। অভিযোগ, হাসপাতালের এক ডাক্তারকে বন্ধু ভেবে ভুল করেছেন, তিনিই তাঁকে হিপ রিপ্লেসমেন্ট এক্সপার্টের কাছে পাঠিয়েছিলেন। ঠিক কী কী কারণে হিপ রিপ্লেসমেন্ট হয়, সেগুলি উল্লেখ করে জানিয়েছেন, এসব কোনওটাই তাঁর ছিল না। তিনি চিকিৎসার নামে এক ডাক্তারের করা অপরাধের শিকার।


তসলিমার এই পোস্টের নিচে অনেকেই তাঁকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কেউ বা এটাকে মেডিক্যাল ‘টেররিজম’ বলে উল্লেখ করেছেন।  

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।