Same Sex Marriage Case in Supreme Court: ভারতে সমকামী বিয়ের আইনি স্বীকৃতি বিবেচনা করতে সম্মত হল সুপ্রিম কোর্ট

Advertisement

ভারতে সমকামী বিবাহের আইনি স্বীকৃতি বিবেচনা করতে সম্মত হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সরকারের কাছ থেকে এই ইস্যুতে জবাব চাওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের তরফে। তাছাড়া হাই কোর্টে সমকামী বিবাহ বিচারাধীন সমস্ত পিটিশন সুপ্রিম কোর্টে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারকে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই সংক্রান্ত নোটিশের জবাব জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে সমলিঙ্গে বিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার বিরোধিতা করেছে কেন্দ্র। (আরও পড়ুন: স্থগিত দিল্লির মেয়র নির্বাচন, সংবিধানের ধারা তুলে সরব অরবিন্দ কেজরিওয়াল)

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর এই ঐতিহাসিক রায়দানের মাধ্যমে সমকামী সম্পর্ককে অপরাধমুক্ত বলে ঘোষণা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। ব্রিটিশ জমানার বহু পুরোনো আইনকে প্রত্যাহার করে পাঁচ সদস্যের বিচারপতিদের বেঞ্চ জানিয়েছিল, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারার আওতায় দু’জনের পূর্ণ সম্মতিতে সমকাম সম্পর্ক অপরাধ নয়। সেই পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে ছিলেন দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ও। তবে সমকামী সম্পর্ক বৈধ হলেও সমকামী বিয়ে এখনও আইনি বৈধতা পায়নি ভারতে।

আরও পড়ুন: বিমানে মহিলার গায়ে প্রস্রাব করেও কীভাবে গ্রেফতারি এড়িয়েছিলেন মত্ত ব্যবসায়ী?

এই আবহে এবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ নির্দেশনা জারি করেছে যে, বিভিন্ন হাই কোর্টে থাকা সমকামী বিবাহ সংক্রান্ত যাবতীয় পিটিশন মুলতুবি করা হল। এই বিষয়ে জড়িত সকল মামলাকে সুপ্রিম কোর্টে স্থানান্তর করতে বলা হয়েছে। এই নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। উল্লেখ্য, বিশেষ বিবাহ আইনের অধীনে সমকামী বিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে একাধিক পিটিশন দাখিল হয়েছে দিল্লি, গুজরাট এবং কেরলের উচ্চ আদালতে। সেই সমস্ত আবেদনই সুপ্রিম কোর্টে স্থানান্তর করা হযতে চলেছে এবার। এই আবহে হাই কোর্টে আবেদন জানানো ব্যক্তিদের অনলাইনে সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে হাজির থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

আদালত অ্যাডভোকেট কানু আগরওয়ালকে ভারতের ইউনিয়নের নোডাল কাউন্সেল এবং আবেদনকারীদের পক্ষে নোডাল কাউন্সেল হিসেবে অ্যাডভোকেট অরুন্ধতী কাটজুকে নিযুক্ত করেছে। আবেদনকারীদের পক্ষে উপস্থিত কাউন্সেলদের সলিসিটর জেনারেলের সাথে দেখা করতে বলেছেন প্রধান বিচারপতি। কে কোন বিষয়টি উত্থাপিত করবেন, এবং যাতে একই জিনিসের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশ।

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।