Sex: জেলে থাকায় সেক্স করতে পারিনি, মুক্তি পেয়েই ১০,০০০কোটি ক্ষতিপূরণ চাইলেন যুবক

Advertisement

মধ্যপ্রদেশের রতলমের বাসিন্দা এক ব্যক্তি দীর্ঘ দুবছর জেলে বন্দি ছিলেন। ধর্ষণের মিথ্য়া অভিযোগে তাঁকে জেল খাটতে হয়েছে বলে তাঁর দাবি। আর জেল থেকে বেরিয়ে তিনি ১০০০৬ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের মামলা করেছেন মধ্যপ্রদেশ সরকারের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে তাঁর ব্য়বসা সংক্রান্ত ক্ষতি থেকে আইনের খরচা সামলানো সবটা রয়েছে। তবে সবথেকে বড় কথা তিনি উল্লেখ করেছেন, ভগবানের দেওয়া উপহার হল সেক্স। আর দুবছর ধরে জেলে থাকার জেরে তিনি সেক্স করতে পারেননি। তার জন্যও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তিনি।

৩৫ বছর বয়সী কান্তিলাল ভিল নামে ওই ব্যক্তির দাবি, জেলে গিয়ে জীবন একেবারে ওলটপালট হয়ে গিয়েছে। স্ত্রী,মা, সন্তানরা নিদারুন যন্ত্রণার মধ্য়ে দিন কাটিয়েছেন। একটি ইংরাজি সংবাদমাধ্য়মের কাছে তিনি জানিয়েছেন, এই দুবছরে কী যন্ত্রণা সহ্য় করতে হয়েছে বলে বোঝাতে পারব না। এমন অবস্থা যে আমার পরিবার অন্তর্বাস পর্যন্ত কিনতে পারেনি। জামাকাপড়ের ব্য়বস্থা নেই। জেলে কখনও মারাত্মক ঠান্ডা আবার প্রচন্ড গরম।

তিনি জানিয়েছেন, শুধু মা ভগবতীর আশীর্বাদে আর আইনজীবী বিনা পয়সায় মামলা লড়ায় জেল থেকে বের হতে পেরেছি। তাঁর অভিযোগ পুলিশ একেবারে মিথ্যে কেস সাজিয়েছিল। আর সেই মিথ্য়ে অভিযোগ জীবনটাকে একেবারে শেষ করে দিল। চর্মরোগ তো আছেই। সেই সঙ্গে নানা ধরনের রোগজ্বালা ধরে গিয়েছে জেলে থাকাকালীন।

কান্তিলাল ১.১ কোটি ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন তাঁর ব্যবসার ক্ষতি, শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা, পরিবারের অসুবিধা সহ নানা খাতে। ১০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন যৌন সংসর্গ করতে না পারার জন্য। আইনি খরচ বাবদ তিনি ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন।

কান্তিলালের আইনজীবী বিজয় সিং যাদব জানিয়েছেন, আগামী ১০ জানুয়ারি মামলার শুনানি হবে।

২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি এক মহিলা অভিযোগ করেছিলেন যে তিনি ভাইয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন। সেই সময় কান্তিলাল তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর বাইকে চাপিয়ে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে তাঁকে গণধর্ষণ করে বলে মহিলার অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরপর দুবছর জেলও খেটেছেন তিনি। তবে বর্তমানে তিনি মুক্তি পেয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, যে সমস্ত অভিযোগ তোলা হয়েছিল তা সবটাই মিথ্যে। পুলিশ সাজিয়েছিল। এবার সেই কান্তিলাল ক্ষতিপূরণ বাবদ সরকারের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করলেন।

 

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।