Mobile Export: ‘২০২৩-এ ভারত থেকে ১ লাখ কোটির মোবাইল রফতানির লক্ষ্য স্থির প্রধানমন্ত্রী মোদীর’

Advertisement

বিগত দিনে চিনের কোভিড কড়াকড়ির জেরে বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা ভারতের দিকে পা বাড়িয়েছে। স্যামসাং, অ্যাপলের মতো সংস্থা ভারতে আরও বেশি সংখ্যক পণ্য উৎপাদনের ওপর জোর দিয়েছে। স্যামসাং নতুন কারখানা চালু করেছে। অ্যাপলও টাটার সঙ্গে চুক্তি করেছে। এর ফলে আইফোন তৈরির জন্য নয়া কারখানা স্থাপন করেছে টাটা। এই আবহে ২০২৩ সালে ভারত থেকে মোবাইল রফতানির গ্রাফকে ঊর্ধ্বমুখে চড়তে দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী মোদী। এমনটাই জানালেন ইলেকট্রনিক্স ও আইটি প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর।

সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের সাথে কথা বলার সময় মন্ত্রী বলেন, দেশে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার। এবং ২০২৩ সালে মোবাইল ফোন বাইরেও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের উৎপাদনকে আরও প্রসারিত করার দিকে নজর দেবে সরকার। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চাইছেন যাতে ২০২৩ সালে ১ লক্ষ কোটি টাকার মোবাইল ফোন রফতানি করুর ভারত। ভারতের রফতানি করা পণ্যের তালিকায় প্রথম দশে মোবাইলকে দেখতে চাইছেন নরেন্দ্র মোদী।’ যদিও মন্ত্রী সুনির্দিষ্ট ভাবে ব্যবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। তবে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, সরকার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য, হার্ডওয়্যারের জন্য একটি আপগ্রেডেড পিএলআই স্কিম নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ভারত থেকে মোবাইল রফতানির পরিমাণ ছিল ৪৫ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। মূলত অ্যাপল এবং স্যামসাংয়ের মোবাইলই রফতানি হয়েছে ভারত থেকে। এই আবহে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মোবাইল ফোনের সাফল্যের পরিপূরক হিসেবে আমরা ইলেকট্রনিক পণ্যের উৎপাদনের ইকোসিস্টেমকে প্রসারিত করতে চলেছি। সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রসার ঘটানোর জন্য কৌশল তৈরি হচ্ছে। এটা খুবই স্পষ্ট যে আমরা আমাদের উৎপাদন শিল্পকে আরও প্রসারিত করতে চাই। মোবাইলের পাশাপাশি আমরা আইটি সার্ভার এবং হার্ডওয়্যার স্পেস, পরিধানযোগ্য এবং শ্রবণযোগ্য পণ্যের (ব্লুটুথ নেকব্যান্ড, ইয়ারপড, স্মার্টওয়াচ ইত্যাদি) ক্ষেত্রে ভালো করতে চাই। এই সমস্ত ক্ষেত্র বিশ্বব্যাপী দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা আইটি হার্ডওয়্যার এবং সার্ভারের ক্ষেত্রে আমাদের মার্কেট শেয়ার বাড়াতে চাই। আমরা আজ এই ক্ষেত্রে খুব ছোট খেলোয়াড়। এটা প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য যে এই সমস্ত ক্ষেত্রে আমরা বিশ্বব্যাপী বিশ্বস্ত অংশীদার হতে চাই। যদি এর জন্য কোনও অতিরিক্ত পিএলআই বা নীতির প্রয়োজন হয়, তাহলে আমরা তাই করব।’

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।