এ বারও সব ম্যাচে থাকবে না DRS, দেখে নিন কী কী বৈশিষ্ট্য থাকছে BPL 2023-এ

Advertisement

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা আপাতত শেষ হয়েছে। টাইগারদের দরজায় কড়া নাড়ছে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগের আসর (বাংলাদেশ প্রিমিয়র লিগ)। তবে এবার প্রযুক্তিসহ সার্বিক বিষয়ে বেশ কিছু নতুনত্ব আনতে চলেছে বিপিএল কর্তৃপক্ষ। ৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া টুর্নামেন্টটি বাংলাদেশ ছাড়াও সরাসরি দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশে। এমনকি লাইভ স্ট্রিমিংও দেখা যাবে। মাঠের খেলায় স্বচ্ছতা আনতে থাকবে অত্যাধুনিক সব ব্যবস্থা। 

সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম বা ডিআরএস থাকছে টুর্নামেন্টে। ২০ থেকে ৩৬টি ক্যামেরা মাঠে তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে, ছোট ছোট বিষয়ও নিখুঁতভাবে তুলে আনবে আপনার সামনে। স্পাইডারক্যাম না থাকলেও আল্ট্রা মোশন, সুপার স্লো মোশন, জিং বেল, বল ট্র্যাকিং সব প্রযুক্তির হবে সর্বোচ্চ ব্যবহার। এমনকি কমেন্ট্রিবক্সেও থাকছে চমক।

আরও পড়ুন… ভিডিয়ো: ধোনি এবং কন্যা জিভার ভিডিয়ো শেয়ার করে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন সাক্ষী

তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শুরু থেকে থাকছে না ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম বা ডিআরএস। তবে এলিমিনেটর পর্ব থেকে ডিআরএস রাখা হবে। আগের বছরও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম পর্ব খেলা হয়েছিল ডিআরএস ছাড়াই। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত অপছন্দ হলে আবেদন করা যাবে না। এই সুযোগ থাকছে না বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম পর্বের ম্যাচগুলিতে। তবে প্রতিযোগিতার লিগ পর্বের ম্যাচগুলিতে থাকবে অ্যাডিশনাল ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম বা এডিআরএস।

এমনই জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের গভর্নিং কাউন্সিলের অন্যতম সদস্য ইসমাইল হায়দর মল্লিক। ইসমাইল বলেছেন, ‘হক আই এবং ভার্চুয়াল আই প্রযুক্তি পাওয়া যাচ্ছে না। অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ড থেকে এই প্রযুক্তি নিয়ে আসতে হয়। এ জন্য তাদের আগে থেকে জানাতে হয়। এ বারও আমরা এলিমিনেটর এবং ফাইনালে পুরো ডিআরএস পাব।’

আরও পড়ুন… নতুন বছরে লেফট ব্যাক হীরা মন্ডলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড

বিশ্বের সর্বত্রই এখন ক্রিকেট ম্যাচে ডিআরএস দেখা যায়। বিশেষ করে ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি লিগগুলি ডিআরএস ছাড়া দেখাই যায় না। কিন্তু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে এ বছরও প্রথম থেকে ডিআরএস না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বার অবশ্য বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের পুরস্কার মূল্য বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। গত বছর চ্যাম্পিয়ন দল ১ কোটি টাকা (বাংলাদেশের) এবং রানার্স দল ৫০ লক্ষ টাকা (বাংলাদেশের) পুরস্কার মূল্য হিসাবে পেয়েছিল। এ বার তা বেড়ে হচ্ছে যথাক্রমে ২ কোটি টাকা (বাংলাদেশের) এবং ১ কোটি টাকা (বাংলাদেশের)। সব মিলিয়ে এবার প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কার মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা (বাংলাদেশের)। প্রতিযোগিতার সেরা ক্রিকেটার পাবেন ১০ লক্ষ টাকা (বাংলাদেশের)। সেরা ব্যাটার এবং সেরা বোলারের জন্য থাকছে আর্থিক পুরস্কার। যদিও সেই পুরস্কারের অঙ্ক প্রকাশ করেনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে এ বারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ।

নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই মাঠের অনুশীলন শুরু করবে দলগুলো। সার্বিক আয়োজনেও ঝড়লো স্তুতি। রংপুর রাইডার্সের টিম ডিরেক্টর শানিয়ান তানিম, ‘আমরা বিশ্বাস করি, যেভাবে করে ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বাড়ছে যেভাবে বিশ্ব উন্নয়ন করছে সেভাবে করে আমাদের দায়িত্ব আছে এবং বিসিবিরও দায়িত্ব আছে। আমরা সকলে মিলে যদি কাজ করতে পারি তাহলে আমি মনে করি বিপিএল ফিরে আসবে।’

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।