বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে ‘সৌজন্য সাক্ষাত’-এ শুভেন্দু

Advertisement

এ যেন মেঘ না চাইতেই জল। দিন কয়েক আগে রাজ্যপালের শপথগ্রহণে অনুপস্থিত থেকে মুখ্যমন্তন্ত্রীর সাক্ষাৎ এড়িয়েছিলেন যিনি, তিনিই কি না বিধনসভায় মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে! শুক্রবার সংবিধান দিবসে এমনই সৌজন্যের ছবি দেখল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে দেখা যায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। মিনিট পাঁচেক চলে আলাপচারিতা। বেরিয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, নিছক সৌজন্য।

এদিন বিধানসভায় সংবিধান দিবসের বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে উঠে রাজ্য সরকারকে ফের তুলোধনা করেন শুভেন্দুবাবু। বলেন, ভোটের সময় রাজনীতি হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাকি সময় আমাদের সংবিধন মেনে চলতে হবে। সংবিধানে লেখা রয়েছে দেশ চলবে ফর দ্য পিপল, অফ দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল। কিন্তু রাজ্য সরকারের সবটাই ফর দ্য পার্টি, অফ দ্য পার্টি বাই দ্য পার্টি। নিজের বক্তব্যে প্রশাসনিক সভায় বিরোধী দলের জনপ্রতিনিদের আমন্ত্রণ জানানো হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিন বিধানসভা প্রথমার্ধে এই আলোচনা শেষ হওয়ার পর বিধানসভায় নিজের দফতরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ী, বিজেপির মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা ও বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালকে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। সৌজন্য রক্ষায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান তাঁরা। মিনিট পাঁচেক কথা হয় তাঁদের। বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সংবিধান দিবসে মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী বিধায়কদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন। নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ।

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূলের প্রবল সংঘাতের আবহে এই সাক্ষাৎকে নিছক সৌজন্য বলে মানতে পারছে না রাজনৈতিক মহল। অনেকের মতে, তবে কি প্যাঁচে পড়ে শুভেন্দুকে সন্ধির বার্তা দিতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী?

 

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।