ধর্ষণ নিজের মেয়েকেই, জেলের ভিতর মন্ত্রীর পায়ে ফুট ম্যাসাজ সেই ধর্ষকের!

Advertisement

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: জেলের ভিতর মন্ত্রীর পায়ে ফুট ম্যাসাজ! সেই বিতর্কে এবার নয়া মোড়। সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা কিনা আরও ঘি ঢালল ম্যাসাজ বিতর্কে। আরও বিপাকে পড়লেন জেলবন্দি মন্ত্রী। অস্বস্তি বাড়ল আপ শিবিরের জন্যও। দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি আপ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের পায়ে ম্যাসাজ করে দেওয়ার ঘটনায় এবার প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে ওই ম্যাসিওরের পরিচয় নিয়ে। যে ব্যক্তি জেলবন্দি মন্ত্রীর পায়ে ম্যাসাজ করে দিচ্ছিল, সে নাকি একজন ধর্ষক! সামনে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর তারপরই ফের নতুন করে উসকে উঠেছে বিতর্ক। প্যাঁচে পড়েছে আপ শিবির।

জেলেই মন্ত্রীর শরীরচর্চা! জেলের ভিতরই ম্যসিওরকে দিয়ে পায়ে ম্যাসাজ নিচ্ছেন মন্ত্রী! দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি আপ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের এমন ভিডিয়ো সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে যায়। যদিও আপের পক্ষে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল নস্যাৎ করে দেন বিজেপি দাবি। পালটা দাবি করা হয় আপের তরফে। বলা হয়, কোনও ম্যাসাজ নিচ্ছেন না মন্ত্রী। চিকিৎসকের নির্দেশে ফিজিওথেরাপি সেশন চলছিল। কিন্তু এবার সেই বিতর্কে নয়া মাত্রা সংযোজন হল। 

আরও পড়ুন, Assam Boyfried Marrying Dead Girlfried: চিরঘুমে প্রেমিকা, সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে, আজীবন সিঙ্গল থাকার প্রতিজ্ঞা শোকবিহ্বল প্রেমিকের!

বিজেপির তরফে এবার পালটা দাবি করা হয়েছে, ওই ব্যক্তি কোনও ফিজিওথেরাপিস্ট নন। বরং একজন ধর্ষক! নিজেরই মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সাজা খাটছে সে। জেলবন্দি আপ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের পায়ে সে-ই ম্যাসাজ করে দিচ্ছিল। এই ঘটনার পর অবিলম্বে ‘১ মিনিটের মধ্যে’ সত্যেন্দ্র জৈনকে মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের দাবি তুলেছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, ৫৮ বছরের মন্ত্রীকে ৩০ মে গ্রেফতার করে ইডি। তারপর থেকে দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি সত্যেন্দ্র জৈন। সত্যেন্দ্র জৈনের বিরুদ্ধে টাকা তছরুপ ও পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্ত করছে ইডি।

আরও পড়ুন, ভয়ংকর! ভিডিয়ো কলে সিনিয়র ছাত্রীকে ব্লেড দিয়ে যৌনাঙ্গ চিরতে বাধ্য করল জুনিয়র

(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)  

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।