মিঠুন চক্রবর্তী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, আরও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ পেতে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দিন, BJP leader Mithun Chakraborty says Mamata Banerjee Govt to submit utilization certificate to get more Central fund.

Advertisement

ডায়লগ শোনাতে পরে আসবেন
Advertisement

ডায়লগ শোনাতে পরে আসবেন

দিন পুরুলিয়ার লধুড়কার জনসভায় উপস্থিত ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। ছিলেন পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত। সেখানে মঞ্চে ওঠার পরেই সমবেত জনতা তাঁর অভিনীত জনপ্রিয় ছবির ডায়লগ শোনানোর জন্য দাবি করেন। তবে এদিনের সভায় মিঠুন সেই আবদা রাখেননি। তিনি বলেন, ডায়লগ শোনাতে পরে কোনও দিন আসবেন। এদিন তাঁর আগমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে।

জনতার সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ

জনতার সঙ্গে সরাসরি জনসংযোগ

এদিন মিঠুন চক্রবর্তী সরাসরি সভায় যাওয়া সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ সারেন। তিনি সুবিধা-অসুবিধার কথা জানতে চান। তাঁর সামনেই কেউ কেউ অভিযোগ করেন, সরকারি ঘর না পাওয়ার ব্যাপারে। সেই সময় মিঠুন চক্রবর্তী কেন্দ্রীয় সরকারের আবাস যোজনার নাম বাংলা আবাস যোজনা করা নিয়ে কটাক্ষ করেন। মিঠুনের সামনে কেউ অভিযোগ করেন পেনশন নিয়ে, কেউবা চপের দোকানে চপ বিক্রি না হওয়ার কথা বলেন। সেই মিঠুন ঢপ মিশিয়ে চপ বিক্রির পরামর্শ দেন।

মমতার অভিযোগের জবাব

মমতার অভিযোগের জবাব

তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে তাঁকে তৃণমূলের তরফে রাজ্যসভায় মনোনীত করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি একটা সময় তা থেকে পদত্যাগ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বড় বোন বলা মিঠুন চক্রবর্তী এদিন মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগের জবাব দিয়েছেন। প্রসঙ্গত মুখ্যমন্ত্রী ১০০ দিনের কাজ-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা বকেয়া থাকার অভিযোগ করেন প্রায়ই। এব্যাপারে মহাগুরু এ দিন বলেন, রাজ্য সরকারকে আরও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ পেতে আগে পাওয়া তহবিল ব্যবহারের শংসাপত্র জমা দিতে হবে। তিনি বলেন প্রতিটি পয়সার হিসেব দিতে হবে। তিনি প্রশ্ন করে বলেন, আবাসন প্রকল্পের মতো বিভিন্ন প্রকল্পে আগে দেওয়া অর্থের শংসাপত্র না দিলে কীভাবে আরও টাকা বরাদ্দ করতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার?

পাঁচদিন পাঁচ জেলায় মিঠুন

পাঁচদিন পাঁচ জেলায় মিঠুন

বুধবার পুরুলিয়া দিয়ে শুরু করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপির পরিকল্পনা অনুযায়ী পরপর পাঁচ দিন পাঁচটি জেলায় সভা করবেন মিঠুন চক্রবর্তী। শেষের সভাটি হবে বোলপুরে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে মিঠুনের চোখ দিয়েই রাজ্য বিজেপির সংগঠনের অবস্থা জানতে চায় বলে সূত্রের খবর। যদিও, মিঠুনের এই কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল।

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।