স্থগিতাদেশের জেরে আদালতের ওপর কি ভরসা হারাচ্ছেন SSC কর্মশিক্ষার চাকরিপ্রার্থীরা?

Advertisement

সরকারের মোক্ষম চালে অবশেষে কি ভাঙন ধরল SSC চাকরিপ্রার্থীদের ঐক্যে? এমনই অভিযোগ উঠছে কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার চাকরিপ্রার্থীদের বিরুদ্ধে। নিজেদের চাকরি সুনিশ্চিত করতে অন্য বিভাগের চাকরিপ্রার্থীদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার অভিযোগ উঠছে তাদের বিরুদ্ধে। এমনই যে আইনজীবীর লাগাতার পরিশ্রমে তাঁরা এতদূর পৌঁছলেন সেই বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ উঠেছে শারীরশিক্ষা ও কর্মশিক্ষার চাকরিপ্রার্থীদের বিরুদ্ধে।

গত ১০ ও ১১ নভেম্বর রাজ্য সরকারের তৈরি করা সুপার নিউমেরারি পদ পূরণের জন্য শারীরশিক্ষা ও কর্মশিক্ষার চাকরিপ্রার্থীদের কাউন্সেলিং হয়। এর পরই মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। সেখানে গ্রুপ সি-র এক চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করেন, অন্যান্য বিভাগের ওয়েটিং লিস্টে থাকা চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগের ব্যবস্থা না করলেও শারীরশিক্ষা – কর্মশিক্ষায় নিয়োগের ব্যবস্থা হচ্ছে কেন? এই মামলায় নতুন কাউন্সেলিংয়ের ভিত্তিতে তৈরি ওয়েটিং লিস্টের স্বচ্ছতা নিয়ে মঙ্গলবার প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ দেন তিনি। এর ফলে শারীরশিক্ষা – কর্মশিক্ষায় সুপারিশপত্র বণ্টন করতে পারেনি SSC.

এর পর আরও একটি মামলায় রাজ্য সরকারের সুপার নিউমেরারি পদ তৈরির এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার বিচারপতি বসু আরও পর্যবেক্ষণ দেন। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার কমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কমিশন ভেঙে দিক। এর পর ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়োগে স্থগিতাদেশ জারি করে করে আদালত।

এর পরই বিকাশবাবুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেন শারীরশিক্ষা – কর্মশিক্ষার চাকরিপ্রার্থীরা বিক্ষোভ দেখাতে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে হাজির হন তাঁরা। তাদের অভিযোগ, এতদিন তাদের আন্দোলনের পাশে ছিল বামেরা। তাহলে এখন কেন তারা নিয়োগে বাধা দিচ্ছ? আমাদের রাজনীতির ঘুঁটি করা হচ্ছে। আমরা ৬ বছর ধরে নিয়োগের জন্য অপেক্ষা করেছি। এখন তারা কেন এরকম আচরণ করছেন জানি না।

 

 

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।