কাতার বিশ্বকাপ শুরুর আগের দিনই প্রয়াত ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা উইঙ্গার বাবু মানি

Advertisement

আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। তবে তার ঠিক আগেই ভারতীয় ফুটবলে নেমে এল শোকের ছায়া। ভারতীয় ফুটবলে দুঃসংবাদ এল। ভারতের কিংবদন্তি ফুটবলার বাবু মানি শনিবারের সন্ধ্যায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেলেন। ৫৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাবু মানি। গত কয়েক মাস ধরে লিভারের তীব্র সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। বাবু মানি তাঁর পিছনে স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে রেখে গেছেন। 

ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা উইঙ্গার বাবু মানি ভারতীয় টেলিফোন ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে বেঙ্গালুরু হয়ে কলকাতায় এসেছিলেন। তাঁকে ত্রিশুর সন্তোষ ট্রফিতে দেখা যায় এবং অবশেষে আঠারো বছর বয়সে কলকাতার মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালে ব্ল্যাক প্যান্থার্স যখন বোর্দোলোই ট্রফি এবং ডিসিএম জিতেছিল তখন তিনি মহমেডান স্পোর্টিংয়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। মহমেডান স্পোর্টিং দেশের অন্যতম শক্তিশালী দল ছিল। ইরানি তারকা মাজিদ বাস্কর এবং জামশেদ নাসিরি তাদের স্কোয়াডে ছিলেন। 

আরও পড়ুন… ভিডিয়ো: আদিল রশিদের বলে পিটারসেনের শট কপি করতে গেলেন স্মিথ, দেখুন কী হল তারপর

প্রয়াত প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলার বাবু মানি। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কলকাতার এক বেসরকারী হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন। লড়াই শেষ হল আজই, মৃত্যু হল এই প্রাক্তন ফুটবলারের। ময়দানে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন বাবু মানি। খেলেছেন তিন প্রধান ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ও মহামেডানের হয়ে।

বাবু মানি ১৯৮৪ সালের নেহরু গোল্ড কাপে খেলার জন্য ভারতের জাতীয় দলে সিরিক মিলোভান দ্বারা নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৮৪-১৯৮৯ সাল পর্যন্ত প্রাক অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস, প্রি ওয়ার্ল্ড কাপ এবং নেহুরু গোল্ড কাপে ভারতীয় জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৮৫ সালে SAAF কাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন। ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার পর বাবু মানি কলকাতায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কারণ তিনি এফসিআই-এর হয়ে কাজ করার জন্য শহরে পোস্ট করেছিলেন। আমরা বাবু মানির বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। 

আরও পড়ুন… সূর্যকুমার যাদব যা করেন তা স্বপ্নেও করতে পারব না- গ্লেন ফিলিপস 

১৯৮৪ সালে ইডেন গার্ডেনে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে সিএফএল কলকাতা ডার্বিতে মোহনবাগানের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছিলেন। এর পরে তিনি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন এবং নিজেকে তিন প্রধানে খেলা একজন তারকা ফুটবলার হিসেবে প্রমাণ করেন। ১৯৯৪ সাল থেকে তাঁর ফুটবল কেরিয়ারের গ্রাফ শেষের দিকে যায়। অন্যান্য তারকা কৃশানু দে, বিকাশ পাঞ্জি এবং অলোক মুখার্জির বিপরীতে খেলে নিজের পেশাদার ফুটবল কেরিয়ারের সমাপ্তি ঘটিয়ে ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার হয়ে খেলতেন। 

 

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।