Delhi Horrific Murder: কীভাবে রক্ত পরিষ্কার করতে হয়? শ্রদ্ধাকে খুন করে গুগল আফতাবের, সামনে ভয়ঙ্কর তথ্য

Advertisement

কীভাবে রক্ত পরিষ্কার করতে হয়? লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়াকার নৃশংসভাবে খুনের পর সেটাই গুগলে সার্চ করেছিল অভিযুক্ত আফতাব আমিন পুনাওয়ালা। সেইসঙ্গে মানবদেহের গঠনতন্ত্র নিয়েও পড়াশোনা করেছিল। দিল্লি পুলিশের সূত্র উদ্ধৃত করে দিল্লির মেহুরাউলির হত্যাকাণ্ডে এমনই জানিয়েছে সংবাদসংস্থা এএনআই।

দিল্লির ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ডের সাম্প্রতিক তথ্য

  • অনলাইন ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে শ্রদ্ধা এবং আফতাবের আলাপ হয়েছিল। পরবর্তীতে মুম্বইয়ে আফতাবের সঙ্গে একই কলসেন্টারে কাজ শুরু করেছিলেন শ্রদ্ধা। কিন্তু ভিনধর্মের হওয়ায় শ্রদ্ধাদের সম্পর্ক নিয়ে আপত্তি ছিল পরিবারের। সেই পরিস্থিতিতে আফতাবের সঙ্গে মুম্বই ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন শ্রদ্ধা। 
  • প্রাথমিকভাবে হিমাচল প্রদেশে গিয়েছিলেন যুবতী। তারপর দিল্লিতে এসেছিলেন। একদিন পাহাড়গঞ্জের একটি হোটেলে ছিলেন। সেখান থেকে দক্ষিণ দিল্লির একটি হস্টেলে থাকতে শুরু করেছিলেন শ্রদ্ধা। ১৫ মে আফতাবের সঙ্গে ছত্তরপুরে একটি বাড়িতে এসেছিলেন।
  • সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, দক্ষিণ দিল্লির বাড়িতে আসার পরই দু’জনের সম্পর্কে অবনতি হয়েছিল। সম্পর্কে তৃতীয় কেউ চলে এসেছিলেন বলে সন্দেহ বেড়েছিল। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী আবার বিয়ের জন্য আফতাবকে চাপ দিচ্ছিলেন শ্রদ্ধা। তার জেরেই দু’জনের ঝগড়া হত।
  • পুলিশ জানিয়েছে, ১৮ মে শ্রদ্ধা ও আফতাবের ঝগড়া হয়েছিল। ঝগড়ার সময় শ্রদ্ধার মুখ চেপে ধরেছিল আফতাব। তারপর তাঁকে খুন করেছিল বলে অভিযোগ। মার্কিন ওয়েব সিরিজ ‘ডেক্সটার’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে পরদিন ৩০০ লিটারের ফ্রিজ কিনেছিল আফতাব। ২০ মে শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করেছিল এবং ফ্রিজে রেখে দিয়েছিল।
  • পুলিশ জানিয়েছে, হোটেল ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশোনা করেছিল আফতাব। কয়েক বছর আগে শেফ হিসেবেও কাজ করত। কীভাবেে মাংস কাটতে হবে, তা নিয়ে দু’সপ্তাহের প্রশিক্ষণ নিয়েছিল। যে প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা দিয়ে শ্রদ্ধার দেহ টুকরো-টুকরো করেছিল আফতাব। এক পুলিশ আধিকারিক বলেছেন, ‘দু’দিন ধরে শ্রদ্ধার দেহ টুকরো-টুকরো করেছিল আফতাব।’

আরও পড়ুন: Delhi Horrific Murder: মার্কিন সিরিজ থেকে ‘অনুপ্রেরণা’, শ্রদ্ধাকে খুন করে ৩৫ টুকরো করল আফতাব, ছড়িয়েছে রাস্তায়

  • পুলিশ জানিয়েছে, দেহের টুকরো ডিপ ফ্রিজে রেখেছিল আফতাব। বাকি টুকরো ফ্রিজের নীচের অংশে রেখেছিল। ফ্রিজ থেকে দেহের কয়েকটি টুকরো বের করে পলিথিন ব্যাগে পুরে নিত আফতাব। ব্যাকপ্যাকে করে জঙ্গলে নিয়ে যেত। এক আধিকারিক বলেছেন, ‘রাত দুটো নাগাদ জঙ্গলে যেত। ঘণ্টাদুয়েক পরে ফিরে আসত। প্রায় ২০ দিন ধরে সেই কাজ করেছিল।’
  • রিপোর্ট অনুযায়ী, পাহাড়গঞ্জে আসার পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল শ্রদ্ধার। সেই পরিস্থিতিতে ‘খুনের’ পর শ্রদ্ধার ইনস্টাগ্রাম থেকে তরুণীর বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করত আফতাব। ৯ জুন পর্যন্ত শ্রদ্ধার বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করত।

আরও পড়ুন: Delhi Murder Case: ভালোবাসার টানে পরিবার ত্যাগ করা প্রেমিকাকেই খুন প্রেমিকের! ৩৫ টুকরো করা হল দেহের

  • দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, জেরায় আফতাব খুনের কথা স্বীকার করেছে। পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিন্দি জানলেও ইংরেজিতে কথার জবাব দিচ্ছে সে।
  • ইতিমধ্যে ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করেছে দিল্লি মহিলা কমিশন। সেই ঘটনা নিয়ে দিল্লি পুলিশকে নোটিশ জারি করেছেন মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল।
Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।