আল কায়দা যোগের অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কলেজ ছাত্র মনিরুদ্দিন খানকে গ্রেফতার করেছে এসটিএফ, STF arrests College student Maniruddin Khan from south 24 parganas in connection with Al qaedia.

Advertisement

24 Parganas

oi-Dibyendu Saha

Google Oneindia Bengali News

জঙ্গি যোগ সন্দেহে রাজ্য থেকে গ্রেফতার এক কলেজ ছাত্র। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর থেকে শনিবার মনিরুদ্দিন খান নামে ওই ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের সন্দেহ ওই ছাত্র বাংলাদেশের আনসারুল্লা বাংলা টিম কিংবা আলকায়দার উপমহাদেশীয় শাখার সঙ্গে জড়িত। এই ছাত্র বিভিন্নভাবে ওই জঙ্গি সংগঠনকে সাহায্য করত বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের।

শিক্ষককে জেরা করে জালে ছাত্র! আল কায়দা যোগের অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে গ্রেফতার কলেজ ছাত্র

এসটিএফএ-এর অভিযোগ জঙ্গি সংগঠনে যুক্ত হওয়া নতুন সদস্যদের ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ওই ছাত্র। এদিন মনিরুদ্দিন খানকে চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করানো তহলে তাকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

এসটিএপ সূত্রে খবর, আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে এর আগে আজিজুল হক নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাকে জেরা করে উঠে আসে মনিরুদ্দিনের নাম। সেজায় পরিচয় পত্র ও নথি তৈরি করতে সাহায্য করত। এছাড়াও নিজের পরিচয়পত্র সে সংগঠনের নেতাদের হাতে তুলে দিয়েছিল। যা দিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলকায়দার প্রচার ও স্লিপার সেল তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।

বাংলাদেশে ব্লগার খুনের পরে কলকাতা ও ভারতের আলকায়দার নেটওয়ার্ক সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য পান ভারতীয় গোয়েন্দারা। তারপরেই উত্তর প্রদেশ থেকে হাসনাত নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর মালদার বাড়ি থেকে পেন ড্রাইভ মেলে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সময়ের মধ্যে ভোপাল থেকে আরও দুইজনকে কলকাতায় আনা হয়। এদের কাছ থেকে আজিজুল হকের সন্ধান পাওয়া যায়। সে মথুরাপুরে আরবি পড়াত। সেই সময় আজিজুলের সঙ্গে মনিরুদ্দিনের পরিচয়। মনিরুদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন ছেলে শিক্ষকের কাছে পড়ত বলে বারণ করেননি। তবে তাঁদের দাবি গত প্রায় ছয়-সাত মাস আজিজুলের সঙ্গে মনিরুদ্দিনের কোনও পরিচয় ছিল না।

গত অগাস্টে উত্তর ২৪ পরগনার শাসন থেকে জঙ্গি সন্দেহে দুই যুবক আব্দুর রাকিব সরকার এবং কাজি এহসানকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। তাদের থেকে বেশ কিছু জিহাদি বই পাওয়া গিয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন গোয়েন্দারা। ওই দুজনের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। এই দুই ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে বেশ কয়েক দফা জেরা করেছিলেন এসটিএফ আধিকারিকরা। তাদের সন্দেহ আব্দুর রাকিব নামে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের আলকায়দা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। জঙ্গি নেতাদের নির্দেশ মতো সে কাজ করত।

পকসো আইনে সম্মতির বয়স পুনর্বিবেচনার করুন! আইন কমিশনকে নির্দেশ হাইকোর্টেরপকসো আইনে সম্মতির বয়স পুনর্বিবেচনার করুন! আইন কমিশনকে নির্দেশ হাইকোর্টের

English summary

STF arrests College student Maniruddin Khan from south 24 parganas in connection with Al qaedia.

Advertisement

Malek

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।